Showing posts with label Life Hacks. Show all posts
Showing posts with label Life Hacks. Show all posts

Friday, June 8, 2018

পরিবেশকে ভাল রাখার ৫০ টি সহজ উপায় | 50 Easy Ways You can HELP Nature



শুধুই গেল গেল করব ? নাকি আমাদের ও করণীয় কিছু আছে। পরিবেশ বাঁচাতে কী কী করব আমরা সে সব নিয়ে আজ কয়েকটা সহজ টোটকা।  তার আগে দেখে নিন ভিডিওটা। জল বাঁচানোর কী দারুন সহজ  বৈজ্ঞানিক উপায়। শুধু মাত্র একটা ডিভাইস। প্রয়োজনের অতিরিক্ত জল খুব ভাল ভাবে বাঁচানো যায় এই ছোট্ট ডিভাইসটি দিয়ে।




১) বাড়ির চারধারে যতটা পারেন সবুজ গাছ লাগান। পারলে ফল ও ফুলের গাছ লাগান। বাই প্রোডাক্ট হিসেবে মরসুমি ফল আর মধু পাবেন।
২) বাগান যদি থাকে বাগানে মাটি রাখুন যাতে বৃষ্টির জল মাটির গভীরে যাওয়ার রাস্তা পায়।
৩) টবে গাছ লাগান। একটা সবুজ বন্ধু আপনার উপকারই করবে।
৩) কিছু গাছে পাখির জন্য ছোট ছোট বাসা বানিয়ে রাখুন। নুতুন অতিথিতে বাড়িটা ভরে যাবে।
৪) পশু পাখির প্রতি স্নেহশীল হন। পথের পড়ে থাকা কুকুর ছানা বিড়াল ছানাদের বাড়িতে পুষুন। অবশ্যই প্রপার ভ্যাক্সিনেশন করে।
৫) জোর গান , লাউড স্পিকার বাজানোর অভ্যাস ত্যাগ করুন।
৬) রাস্তায় হাঁটতে  হাঁটতে বা ড্রাইভ করতে করতে গান শোনার অভ্যাস মারাত্মক ! প্রথমত অন্য গাড়িকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বেশি হর্ন দিতে হয়।  দ্বিতীয়ত এই অভ্যাস আপনার প্রাণঘাতীও হতে পারে। 
৭) হাতে সময় নিয়ে রাস্তায় বেরোন। ড্রাইভ করলে হর্ন ফ্রি ড্রাইভ করুন। এটা অনেকেই সাফল্যের সাথে করে থাকে।  এই শহরেই এমন অনেক মানুষ আছেন যাঁরা হর্ন বাজান না।  বিশ্বাস করুন একদিন পরীক্ষামূলক ভাবে হর্ন ছাড়া ধৈর্য ধরে গাড়ি চালিয়ে দেখুন। অনেকটা মানসিক আরাম পাবেন।  
৮) প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করুন।
৯) যত্রতত্র প্লাস্টিক ফেলবেন না।  তাতে মাইক্রোপ্লাস্টিক হওয়া এড়ানো যাবে।
১০) পুকুর , নদী ,নালা বা অনত্র যেখানে প্লাস্টিক দেখবেন সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে। ফেলুন

১১) এলাকায় প্লাস্টিক পরিষ্কার অভিযান আয়োজন করুন , জনমত তৈরী করুন।
১২) মাইক্রোবিডস বিহীন প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন। ইন্টারনেটে খোঁজ নিন কিসে কিসে মাইক্রোবিডস আছে।
১৩) যে সব কাপড়এ মাইক্রোফাইবার আছে তার ব্যবহার ও পরিষ্কারের ব্যাপারে সচেতন হন।
১৪) প্রাকৃতিক ফাইবার যুক্ত জামাকাপড় ব্যবহার করুন।
১৫) বাজার করতে গেলে কাপড়ের ব্যাগ , চটের ব্যাগ ব্যবহার করুন।
১৬) বাড়ি ও গাড়িতে প্রয়োজন ছাড়া এসি বন্ধ রাখুন।
১৭) গাড়ির হর্ন বাজানোর অভ্যাস কমান।
১৮) প্রয়োজন ছাড়া ইলেকট্রিক আলো পাখা বন্ধ রাখুন। সিএফএল বা কম ওয়াটের আলো ব্যবহার করুন। বাড়িতে প্রাকৃতিক আলো আসার পথ বাড়ান।
১৯) সোলার আলো পাখা খুব একটা বেশি দাম নয়।  অনলাইন শপিং এ  বা বাজারে পাওয়া যায় সেগুলো ব্যবহার করুন।
২০) দাড়ি কাটার ফোমের জায়গায় জেল ব্যবহার করুন।

২১) রুম স্প্রের জায়গায় ধুপ। ডিওডেরেন্টের জায়গায় পারফিউম বা আতর ব্যবহার করুন। ফুলের ব্যবহার করুন।
২২) পুজোর ফুল বেলপাতা ও অন্যান্য পুজোর সামগ্রী নদীতে ফেলা থেকে নিজে  বিরত থাকুন। অন্য কেউ একাজ করছে দেখলে তাকেও আটকান।
২৩) বেড়াতে গেলে খেয়াল রাখুন যাতে আপনি প্লাস্টিক দূষণ না করেন।  অন্য কেউ প্লাষ্টিক ফেলে গেলে সেগুলো ওয়েস্ট বিনে ফেলুন।
২৪) ঘর পরিষ্কার করার জন্য বিষাক্ত কেমিক্যাল ছেড়ে ভেষজ ক্লিনার ব্যবহার করুন। লেবুর রস , বেকিং সোডা বা ভিনিগার দিয়ে কী দারুন ঘর পরিষ্কার হয় জানেন!! রাসায়নিক ক্লিনারের বদলে ওগুলো ব্যবহার করুন। আরও পরিবেশ ও জল বান্ধব বিকল্প খুঁজুন। নিজে জানুন অপরকে জানান।
২৫) মশা মারার ক্ষতিকর ধুপ বা লিকুইড ছেড়ে ধুনোয় কালকাসুন্দা পাতা ব্যবহার করুন। মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনোর অভ্যাস ফিরিয়ে আনুন।
২৬) শিশুদের জু গার্ডেন পার্ক বোটানিক্যাল গার্ডেনে নিয়ে যাওয়ার নিয়মিত অভ্যেস করুন।  ওদের সেখান স্বুস্থ পরিবেশের গুরুত্ব।
২৭) অতিফলনশীল নয় স্থানীয় ফসল চাষ করুন যে ফসল এর ভ্যারাইটিগুলো প্রাকৃতিক ভাবেই কম জল টানে। মনে রাখবেন MORE CROP MORE DROP . বাগানের গাছের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। রাসায়নিক ছাড়া চাষ করুন। জৈব সার ব্যবহার করুন।
২৮) রোজকার বাড়ির কাজে যত কম পারেন রাসায়নিকের ব্যবহার করুন। আর যদি রাসায়নিক ব্যবহার করতেই হয় সেগুলো সঠিক স্থানে ফেলুন যাতে ওই সব ক্ষতিকর জিনিসগুলি মাটিতে না মেশে ,কখনই মাটিতে ফেলবেন না।
২৯)  খেয়াল রাখুন যাতে বাড়ির ব্যবহার্য রং , ওষুধ , মোটর অয়েল , ইঞ্জিন অয়েল সরাসরি মাটিতে না মেশে।
৩০)  ফ্রিজের ব্যবহার কমিয়ে মাটির জালা বা কুঁজো ব্যবহার করুন। জলের অপচয় কম করুন। ব্রাশ করতে করতে ,বা দাড়ি কাটতে কাটতে বেসিনের ট্যাপ বন্ধ রাখুন।

৩১)  বাড়ির ছাদে জলের ট্যাঙ্কে অটোকাট বাজার লাগান। যাতে জল ভরে গেলেই পাম্প বন্ধ হয়ে যায়।
 ৩২) সারা বাড়ির জলের লাইনের নিয়মিত পরীক্ষা করান প্লাম্বারকে দিয়ে। কোন কল, সিস্টার্ন, ভালভ দিয়ে যেন জল নষ্ট না হয়ে যায়। যাঁরা বাস্তুশাস্ত্র বিশ্বাস করেন তারাও বলেন জল নষ্ট হওয়া খারাপ বাস্তুর লক্ষণ। আপনি আপনার আগামীর কথা ভেবে করুন।
৩৩) পারলে বৃষ্টির জল ধরে রাখার ও পরবর্তীতে সেই জল ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
৩৪)  স্নান ,কাপড় কাচা প্রয়োজন। ওগুলোকে বিলাসিতা করে ফেলবেন না। ৫ মিনিটের বেশি স্নান মানে আপনি ক্ষতি করছেন ,এটা মাথায় রাখবেন।
৩৫)  দিনের ঠান্ডা সময় গুলোতে অর্থাৎ ভোরে আর সূর্য ডোবার ঠিক পর বাগানের লনে আর গাছে জল দিন।
৩৬) কাগজ ,প্লাষ্টিক , কার্ডবোর্ড ,কাচ রিসাইকেল করুন। যে সব জিনিস তৈরিতে বেশি জল লাগে চেষ্টা করুন সেগুলো কম ব্যবহার করতে।
৩৭) GROUNDWATER RECHARGE, RAIN WATER HARVESTING বা  WATER DONATE এর ব্যাপারে জানুন ,বাড়ির শিশু ও মহিলাদের জানান , বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।
৩৮) অনুষ্ঠান বা জমায়েত এ থার্মোকল এর থালা বাতি গ্লাস কিংবা কাগজের কাপ প্লেটের বদলে কাচ , স্টিল এর বাসন ব্যবহার করুন। অনুষ্ঠান বাড়িতে শাল পাতা বা কলা পাতা কিংবা পদ্ম পাতা স্বাস্থ্যে ফিট , স্টাইলেও হিট।  
৩৯) বাড়িতেও বাসনপত্রে প্লাস্টিক এর নো এন্ট্রি করুন। 
৪০) গ্যাস , কয়লা , কাঠ এর ব্যবহার কমিয়ে ইন্ডাকশন হিটার বা সোলার কুকার , ইলেকট্রিক কুকারের ব্যবহার শিখুন। অন্যকেও সেখান। 

৪১) বিল পেমেন্টের ক্ষেত্রে কাগজের ব্যবহার একদম না করতে অনলাইনে বিল পেমেন্ট করুন। অর্থকরি লাভও পাবেন সাথে সাথে বেশ কিছু গাছের অকাল মৃত্যুও বাঁচাতে পারবেন। 
৪২) সাইকেল এর ব্যবহার বাড়ান। দূষণ মুক্ত এই যানটির জনপ্রিয়তা আমাদের দেশে পড়তি হলেও। উন্নত দেশ গুলিতে এটি এখনো একটি জনপ্রিয় পরিবহন। 
৪৩) কার পুল করুন। 
৪৪) ব্যাটারি চালিত পরিবহন  সম্বন্ধে জানুন ও বন্ধুদের জানান। 
৪৫) গাড়ির সার্ভিসিং নিয়মিত করান। দূষণ মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন। 
৪৬) সেল ফোনের বা ল্যাপটপের নিয়মিত সার্ভিসিং করান যাতে বেশি পাওয়ার কনজিউম না করে। 
৪৭) এসির পাইপ থেকে বেরোনো জল জমিয়ে রেখে সেটিকে ঘর মোছার বা পরিষ্কার করার কাজে লাগান।
৪৮) বাজার করার সময় সার দেওয়া সব্জি বা চালানি মাছ এর চেয়ে স্থানীয় সব্জি বা মাছ কিনুন। খেয়াল রাখবেন যে বেগুনটি পোকায় খাওয়া সেটির স্বাদ অন্য বেগুনের চেয়ে ভাল হয়। কারণ পতঙ্গ রাসায়নিক বিষ দেওয়া সবজিতে বসে না।
৪৯) টিস্যু পেপারের বদলে রুমাল আর প্যাকেজ পানীয় জলের বদলে ধাতব জলের বোতল ব্যবহার করুন।
৫০) ছোটদের কাঠের পুতুল , মাটির পুতুল , তালপাতার সেপাই , তালপাতার বাঁশি জাতীয় খেলনা দিন।  প্লাস্টিক খেলনা ওদের কচি ত্বকের জন্য খারাপ।